দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন নায়িকা। দিন দিন তাঁর রূপের ছটায় যেন চোখে ধাঁধা লেগে যাচ্ছে। বলি তারকার রূপের গুণমুগ্ধের সংখ্যা নেহাত কম নয়। সেই কিয়ারা আডবাণী কী ভাবে ত্বকের যত্ন নেন? এক সাক্ষাৎকারে নিজের রূপচর্চার কথা জানান হবু মা।
কিয়ারার উজ্জ্বল, জেল্লাদার ত্বকের নেপথ্যে রয়েছে সানস্ক্রিন। নায়িকার কথায়, ‘‘আমায় সবচেয়ে পছন্দ সানস্ক্রিন।’’ মজার ছলেই বলেন, ‘‘আমি সানস্ক্রিন পান করি!’’ সানস্ক্রিন ব্যবহারের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা বোঝাতেই এমন কথা বলেছেন তিনি। তাঁর মতে, ত্বকের যত্নের দৈনন্দিন রুটিনে সানস্ক্রিনের কোনও বিকল্প নেই। কিয়ারা সিরাম আর ময়েশ্চারাইজ়ার মিশিয়ে মাখেন। তা ছাড়া ত্বকে ক্লিনজ়ার, টোনার, ময়েশ্চারাইজ়ার এবং সিরামও ব্যবহার করেন।
কেন জরুরি সানস্ক্রিন?
ত্বকের যত্নে সানস্ক্রিনের গুরুত্ব শুধু রোদে পোড়া থেকে বাঁচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। নিয়মিত সুরক্ষা না নিলে ত্বকে কালচে ছোপ, অসমান রং, বলিরেখা এবং অকালবার্ধক্যের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে অতিবেগনি রশ্মির সংস্পর্শে থাকলে ত্বকের আরও গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ে। তাই আকাশ মেঘলা থাকুক কিংবা বেশির ভাগ সময়ে ঘরের ভিতরে কাটান, দিনের বেলায় বাইরে বেরোনোর সময়ে ত্বকের সুরক্ষার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
কিয়ারার এই বক্তব্য থেকে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট, ত্বকের যত্নে নিয়মিত অভ্যাসের গুরুত্ব অনেক বেশি। শুধু দামি প্রসাধনী ব্যবহার করলেই যে ত্বক ভাল থাকবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। বরং নিজের ত্বকের ধরন বুঝে প্রয়োজনীয় প্রসাধনী বেছে নেওয়া এবং নিয়মিত সেগুলি ব্যবহার করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
কিয়ারার উজ্জ্বল, জেল্লাদার ত্বকের নেপথ্যে রয়েছে সানস্ক্রিন। নায়িকার কথায়, ‘‘আমায় সবচেয়ে পছন্দ সানস্ক্রিন।’’ মজার ছলেই বলেন, ‘‘আমি সানস্ক্রিন পান করি!’’ সানস্ক্রিন ব্যবহারের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা বোঝাতেই এমন কথা বলেছেন তিনি। তাঁর মতে, ত্বকের যত্নের দৈনন্দিন রুটিনে সানস্ক্রিনের কোনও বিকল্প নেই। কিয়ারা সিরাম আর ময়েশ্চারাইজ়ার মিশিয়ে মাখেন। তা ছাড়া ত্বকে ক্লিনজ়ার, টোনার, ময়েশ্চারাইজ়ার এবং সিরামও ব্যবহার করেন।
কেন জরুরি সানস্ক্রিন?
ত্বকের যত্নে সানস্ক্রিনের গুরুত্ব শুধু রোদে পোড়া থেকে বাঁচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। নিয়মিত সুরক্ষা না নিলে ত্বকে কালচে ছোপ, অসমান রং, বলিরেখা এবং অকালবার্ধক্যের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে অতিবেগনি রশ্মির সংস্পর্শে থাকলে ত্বকের আরও গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কাও বাড়ে। তাই আকাশ মেঘলা থাকুক কিংবা বেশির ভাগ সময়ে ঘরের ভিতরে কাটান, দিনের বেলায় বাইরে বেরোনোর সময়ে ত্বকের সুরক্ষার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
কিয়ারার এই বক্তব্য থেকে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট, ত্বকের যত্নে নিয়মিত অভ্যাসের গুরুত্ব অনেক বেশি। শুধু দামি প্রসাধনী ব্যবহার করলেই যে ত্বক ভাল থাকবে, তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। বরং নিজের ত্বকের ধরন বুঝে প্রয়োজনীয় প্রসাধনী বেছে নেওয়া এবং নিয়মিত সেগুলি ব্যবহার করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
ফারহানা জেরিন